খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠো
-আশীষ খীসা
≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈
ভোর বেলাতে পাখি ডাকে
কিচিরমিচির সুরেলা রবে,
শুনতে যদি চাও সেই রব
ভোরে ঘুম থেকে উঠো তবে।
খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠলে
শীতল বাতাস হয় স্পর্শ দেহে,
দেহ-মন হয় একদম ফুরফুরে
যদি আসে বাতাস বেগে।
ইচ্ছে মত শ্বাশ নেয়া যায়
নির্মল ও বিশুদ্ধ অক্সিজেন,
শরীরে ক্ষতি করতে পারেনা
কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেন।
প্রকৃতির অবারিত দৃশ্য
করা যায় মনভরে উপভোগ,
দেহ-মন থাকে খুব সতেজ
বাসা যে বাঁধতে পারেনা রোগ।
হাতে থাকে বেশি বেশি
কাজ করার সুবর্ণ সময় সুযোগ,
সঠিক সময়ে সঠিক কাজ
করে করা যায় দারুণ উপভোগ।
জীবনে সাফল্য পেতে হলে
ভোরে ঘুম থেকে উঠা উচিৎ,
রোগ-ব্যায়ারাম মুক্ত থেকে
বাদ দিতে হবে সকল বেঠিক।
≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈
কবি পরিচিতিঃ
কবি আশীষ খীসা,পিতাঃ বিনয় কান্তি খীসা, মাতাঃ গোপা দেবী খীসা,জন্মঃ রাঙ্গামাটি সদর। স্থায়ী ঠিকানা-গ্রামঃতুলাবান,ডাকঘরঃমারিশ্যা, উপজেলাঃবাঘাইছড়ি,জেলাঃরাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।তিনি ১৯৭০ সালে ৩১শে আগষ্ট এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি এড ও এম এড(১ম শ্রেণি) ডিগ্রী অর্জন করেন।তিনি বর্তমানে বান্দরবান জেলার অন্তর্গত আলীকদম উপজেলায় ভারত মোহন পাড়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
তিনি একাধারে শিক্ষক,কবি,ছড়াকার,গল্পকার, সাহিত্যিক,গীতিকার ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর।তিনি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদক- ২০২৩ ইং শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হন।তাঁর একক কাব্যগ্রন্থ ২টি এবং যৌথ কাব্যগ্রন্থ ২৪ টি এবং অন্যান্য গ্রন্থসহ মোট ৩৫ টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।আরও বেশ দুয়েকটি যৌথ ছড়াগ্রন্থ, কাব্যগ্রন্থ ও গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
উল্লেখ্য যে,তিনি সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য ভারতের কলকাতা হতে মহাত্মা গান্ধী আন্তর্জাতিক পিচ অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ ও শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য নেতাজী সুবাষ চন্দ্র বসু
পিচ অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ সম্মাননা পদক পান।আন্তর্জাতিক কৃপা সাহিত্য পরিষদ হতে কাব্য ভারতী উপাধি সম্মাননা-২০২৩ ও আগরতলা, ত্রিপুরা,ভারত হতে আন্তর্জাতিক চাকমা ফাউন্ডেশন কর্তৃক সাহিত্য সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ “কাব্য জ্যোতি”সম্মাননা পান।এছাড়া,তিনি আন্তর্জাতিক কৃপা সাহিত্য পরিষদ,ত্রিপুরা,ভারত
হতে “কাব্যজ্যোতি খেতাব” -২০২২,রাজর্ষি সাহিত্য পত্রিকা হতে সাহিত্য জ্যোতি সম্মাননা-২০২৩-২৪ ও আন্তর্জাতিক অভিরূপ সাহিত্য পরিবার হতে অভিরূপ সাহিত্য অ্যাওয়ার্ড – ২০২৪ পান।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন