জোছনা কাঁদে
-মীর সেকান্দার আলী খোকা
∼∼∼∼∼∼∼∼
কঙ্কর পথ,রুগ্ন বিবেক নির্দেশ করে আলো!
জোছনা কাঁদে-
শেয়াল-খাটাশের ধূর্ত ডাকে
আছড়ে পড়ে সিংহের গর্জন, সিংহ চেনো কি কেউ ?
ড্রাগনের কোন ধর্ম আছে কি ?
ক্ষুধা একটি মৌলিক পদবী,
ড্রাগনের কোন মৌলিকতা নেই, স্বচ্ছতা নেই,
উদরপূর্তি তবুও চোখের ক্ষুধাতে ক্ষুধিত হয়।
নেশা,
ধ্বংসস্তূপে মিশে থাকে ড্রাগনের চোখ।
পশুদের জাত চেনা খুব সহজ,
রং মেখে চলা প্রাণীর জাত চেনা দায়।
রং মেখে চলা প্রাণী জারজ হয়,
জারজ হয় না ইতর প্রাণী।
জানি মাতৃভূমি সকলের আছে,
শুনছি কারো কারোর নাকি পিতৃ ভূমিও আছে!
রং মেখে সং সেজে জারজ হয় কি কেউ ?
পিতৃ পরিচয়হীন সন্তান জারজ হলেও সে মানুষের জাত,
মানুষের জাত নয় রং মেখে সং সাজা প্রাণী।
হে মানুষ ; তোমরা আলো ধার দিও না
অমানুষের জাতকে,
ধার দিওনা সূর্য উদয় ও অস্তের ক্ষিনো আলো টুকু।
আলোর পথ আজ ক্লান্ত,
ধোকা যে দিন ধোকা খাবে
সেই দিন আলো পাবে পথ।
∼∼∼∼∼∼∼∼
কবি পরিচিতি-
কবি মীর সেকান্দর আলী খোকা, মা ডাকতেন ছোট করে খোকা। জন্ম: ১৫ জুন ১৯৬৬ ইং, ভেরি পাড়া, বিভাগীয় শহর রাজশাহী। পিতা মৃত: মীর মোক্তার আলী, মাতা মৃত: লতিফা খাতুন। পাঁচ ভাই, তিন বোন, কবি সপ্তম। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখিতে অভ্যস্ত, চতুর্থ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত অবস্থায় কবি প্রথম একটি ইসলামিক গজল লিখেছিলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রিকেট এবং ফুটবল খেলাতে পারদর্শী ছিলেন। এক সময় বিভিন্ন পত্রিকাতে কবির কবিতা প্রকাশিত হয়েছে, যেমন-দৈনিক সানসাইন রাজশাহী-দৈনিক উত্তরা, সংজ্ঞা দিনাজপুর-সাপ্তাহিক জনরব ঠাকুরগাঁও-মাসিক ম্যাগাজিন একদিন প্রতিদিন, প্রিয়তমেষু ঢাকা। বর্তমানে বেশ কিছু অনলাইন পত্রিকায় লিখছেন, কবিতার পাতা -স্বরলিপি-কবিতা সাহিত্য গ্রুপ-জাতীয় কবিতা মঞ্চ ইত্যাদি। প্রথম প্রকাশিত একক কাব্যগ্রন্থ (আলো ছায়া) বইমেলা ২০২৫, ঢাকা। দ্বিতীয় একক প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ (সময়ের রঙ) ২০২৬ বইমেলা ঢাকা। তৃতীয় একক কাব্যগ্রন্থ (লাল ঘুড়ি নীল মন) ২০২৬ বইমেলা ঢাকা। সাংসারিক জীবনে কবি দুইজন কন্যা সন্তানের জনক, জেলা সদর ঠাকুরগাঁও পৌরসভা ১ নং ওয়ার্ড মাদ্রাসা পাড়াতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।কবি সকলের দোয়া প্রার্থী।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন