বৈষম্য
-শান্তি দাস
∞∞∞∞∞∞
আমরা জন্মেছি মায়ের কোলে আমাদের রক্তের রঙ লাল ,
আমি হিন্দু, আমি মুসলমান আমি খ্রিস্টান ভুলতে হবে এই বৈষম্য।
জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মানুষকে ভালোবাসতে হবে,
নইলে এই বিশ্বে বাড়বে মানুষে মানুষে সংঘাত হবে রক্তপাত।
হিন্দু-মুসলিম,বুদ্ধ-খ্রীষ্টান,পার্সি-জৈন, নেই কোন ভেদাভেদ,
হিংসা বিদ্বেষ সব কিছু ভুলে মানুষ হয়ে মানুষের মূল্য বোঝে।
যিনি আল্লাহ তিনি বিরাজমান তিনিই ঈশ্বর ভগবান ,
মোরা একসাথে চলবো গাইবো সাম্যের গান ।
ধর্ম ভিন্ন-মত এক, ভিন্ন ভিন্ন তার পথ পৃথিবীর বুকে,
মোরা জয়ের গান গাইবো সৌভ্রাতৃত্বের বন্ধনে।
যে মানুষ হয়ে মানুষকে জড়িয়ে রাখে মায়ার বাঁধনে,
রাম-রহিম সুমন-কবির ভাই ভাই থাকবে না এই বৈষম্য ।
ধর্ম যে শুধু মানব ধর্মের অপরের ধর্মকে অবহেলা করতে নেই,
ধর্ম-বিরোধ ভেদাভেদ ভুলে এসো ঐক্যের সুর মেলাই।
হেথায় মায়ের রক্ত বুকের তলে, ভালোবাসায় ,
ঋগ্ধ একই নাড়ির টান একই বাতাস, একই দেশ।
মোরা এক ভাষাতেই কথা বলি একই দেশেরই সন্তান ,
বৈষম্য দূর করবো মোরা গড়বো একসাথে চলবো বন্ধন করবো শক্ত।
পৃথিবীর এই শুভ শক্তির হবে নিশ্চয়ই উন্মেষ,
রাম রহিমের বদ্ধমূল ধারণাতেই হবে বিশ্ব জয় নিশ্চয়ই।
∞∞∞∞∞∞
কবি পরিচিতি-
ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলা ।উত্তর পূর্বাঞ্চলের খুব ছোট একটা রাজ্য ।ত্রিপুরার তিনদিকেই বাংলাদেশের ঠিকানা ।রাজধানী থেকে কিছুটা দূরে দূর্জয় নগরে আমার জন্ম ।ছোটবেলা আমি খেলাধুলা করতাম।গ্রামের প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষা শুরু ।ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী মহারানী তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়ে।স্নাতক ও স্নাতকোত্তর মহারাজা বীরবিক্রম কলেজে।এরপর কোলকাতা নদীয়ার কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করি। ১৯৯৬ সালে শিক্ষা দপ্তরে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট পদে শিক্ষকতা শুরু।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন