প্রেমের বাতায়নে
-তনুশ্রী বসু (পাত্র)
∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼
তোমার আমার প্রেমের বাতায়নেতে
থাকবে শীতলপাটি একটা সুন্দর,
বসবো মোরা আনন্দে খুশীতে,
পুলকিত হবে মোদের পিপাসিত অন্তর
বুঝতে পারছো ?
সঙ্গে নেব বুক ভরা ভালোবাসার নিশ্বাস,
যেখানে আছে দুজনার অনন্ত বিশ্বাস,
বসন্ত রাগ গাইবে পিয়াল শাখে বিহঙ্গেরা,
দূর আকাশে বইবে মিষ্টি মধুর সমীরণ,
শুনতে পাচ্ছো?
পূর্ণিমার চাঁদের রুপোলি আলোয় তুমি
চির সুন্দর এক রূপবান যুবক
তুমি তো আমার ভালোবাসার সেবক,
চাঁদের আলোয় দেখব মেঘবালিকাকে,
বলবে সে অবাক চোখে,আমাদেরকে,
ঘুমিয়ে পড়েছো ?
আমি জবাব দেব, বালাই,ষাট ঘুমোবনা,
দেখছি, করব আমরা পরীদের সম্বর্ধনা,
চাঁদের আলোয় পরীর নাচন দেখে,
চাঁদের রুপোলি আলো শরীরে মেখে
কল্পনা করছো?
না,না কল্পনা নয় সত্যিই বলছি
চোখের সামনে আসবে, আমি দেখছি
চড়কা বুড়ি আপনমনে কাটছে সুতো
পরীরা সব নানান নাচে আছে মত্ত
ঠিক বলেছো?
ঠিক,ঠিক,ঠিক!
∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼
কবি পরিচিতি:-
আমি তনুশ্রী বসু পাত্র। বাবা চন্ডিচরণ পাত্র ও মা চিত্রা পাত্রর প্রথম সন্তান। হুগলি জেলায় চুঁচুড়াতে জন্ম। স্কুল, কলেজও সেখানেই। বিয়ে হয়েছে ১৯৮৩ সালের ২৫শে জানুয়ারী, এক মাত্র ছেলের সংসার হোয়েছে বছর চারেক আগে। তারা যে যার নিজের কর্মস্থলে থাকে। আমরা দুজন স্বামী স্ত্রী বাড়িতেই থাকি। আমি একজন সাধারন গৃহিণী। সংসারের একঘেয়েমি কাটাতে আমি লেখা ও গানের মধ্যে সময় অতিবাহিত করি। আমার স্বামী এই ব্যাপারে আমাকে অনেক উৎসাহ দেয় ও সাহায্য করে। সাহিত্যকে যারা ভালোবাসে তারা লেখার মাধ্যমে তাদের বক্তব্য অপরের সামনে রাখার চেষ্টা করে। তার প্রকাশ কবিতা, অণুগল্প কিংবা প্রবন্ধে দেখা যায়। লেখার অভ্যাস সেই ছোটবেলা থেকে লিখতে ভালবাসি আর তার প্রকাশে আরও আনন্দ পাই। তাই লিখি আর লিখেও চলব।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন