ভালোবাসা দিবসে ভালোবাসা
-সিরাজুল ইসলাম মোল্লা
≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈
ঐ যে চরাচর ঐ যে কণ্ঠস্বর তার-
“খোল দ্বার বাঁধো ঘর
হে বসুধা’র যুগল মন,
বলি এমনি দিবসে এসেছিলেম,
এসেছি ফের তোমাদের দ্বারে
বিনে সুতোয় বিপরীত মনের
কাঙ্খিত স্বপ্নীল প্রেমে
দিতে অপার অমৃত ভালোবাসার বাঁধন,
বিনিময় নিতে এতটুকু প্রেম।
কিন্তু সকল দ্বার রদ্ধ বলে
ফিরে যাই আবার আসবো বলে।
তাই বলে ভেবো না-
পাবে না আমায় যত্রতত্র,
স্মরিও খুঁজিও,
নিশ্চয় পাবে কৃষ্ণচূড়ার তলে
প্রেমিক প্রেমিকার অভিন্ন বোলে
কিবা ফুলশয্যায় বধূ-বরের মননে
বিবিধ সময়ে বিবিধ রকমে
ভালোবাসা প্রকাশের মধ্য দিয়ে”।
তাই তো আমিও এসেছি
বিশপের ভালোবাসার উপহার নিয়ে
রাঙাতে সাজাতে তোমার অঙ্গন।
অথচ কড়া নাড়তেই আশাহত মনে
ফিরে যাই, ফিরে যাই নিয়ে আসতে
ভালোবাসার সেই গুচ্ছ কবিতা,
যা আজও এনেছি,
গ্রহণ করবে কি?
যদি নাও কাজে লাগে-
জিমস্ এন্ড ডেলা’র প্রিয় ভুলের মত,
যাতে অন্তত প্রকাশ পায়
আছে অন্তরে অন্তর বিশ্বাসে বিশ্বাস,
আছে জীবনে জীবন
দিতে ভালোবাসা দিবসে একমুঠো ভালোবাসা।
গ্রহণ করবে কি?
≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈
কবি পরিচিতি-
সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ কবি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (পিতা আব্দুল মান্নান মোল্লা ও মাতা হাজেরা বেগম) বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ জেলাধীন মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অন্তর্গত রামপাল ইউনিয়নের জোড়ার দেউল গ্রামের এক মধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৭৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। ছয় ভাই ছয় বোনের মধ্যে কবি ১১ তম। উত্তরসূরী হিসেবে স্ত্রী ও দুই পুত্র সন্তান রয়েছে। ১০ বছর বয়স হতেই কবির লেখালেখির হাতে খড়ি। এছাড়াও পছন্দ দাবা, আড্ডা দেওয়া ও লেখালেখি করা। তিনি এক সময় প্রথম আলো ব্লগ সহ অন্যান্য ব্লগে লেখালেখি করেন এবং বর্তমানে ফেইসবুকে বিভিন্ন অনলাইন সাহিত্য গ্রুপে লেখালেখি সহ সাহিত্য চর্চায় নিবেদিত।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন