দাম্ভিক
-শান্তি দাস
∞∞∞∞∞∞∞
দাম্ভিক যারা সবসময় নিজেকে বড় করে দেখে,
যোগ্যতা নেই তবুও যদি কিছু পেয়ে যায় তবে।
পৃথিবী আজ গিয়েছে ভরে অনিয়মের বাহুডোর–
সবাই নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত হয়ে আছে।
যেথায় সেথায় রাখতে চায় তার নিজের দখল,
নিজের স্বার্থ রক্ষা,করতে হয়ে উঠে মরিয়া।
এই দাম্ভিকতা কোন কিছুতেই রাখতে পারে না মান,
নিজেকে বড় ভেবে অন্যের উপর দোষ চাপিয়ে দেয়।
ভাবে মনে মনে আমি একাই সব আমি নক্ষত্র উজ্জ্বল,
আমার অহংকার আমার শক্তি আমি ব্যক্তিত্ব আসল।
দাম্ভিক সবসময় সহজ সরল মানুষের ভিড়ে সাধু সাজে,
অন্যের ভালো কাজে জোরে তার দোষ খুঁজে বেড়ায় ।
পরের সুখে গা জ্বলে পুড়ে ছাই হয় সবসময়,
নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভেবে নিজের নিখুঁত রাখে যতনে।
পরের সুখে হিংসার আগুন জ্বালিয়ে দেয় মনে,
তবে কি দাম্ভিকতা তার চোখে মুখে হিংসায় জ্বলে মরে,
আদর্শবাদী মানুষ চলে সততা অবলম্বনে,
লোভ লালসা উচ্চাভিলাষ থাকলে জীবন হয়না সুখ।
বিবেচনাহীন জৈবিক কামনা অসৎ পথে চালিত করে,
এর ফলেই দেশ ও সমাজ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে চলে।
∞∞∞∞∞∞∞
কবি পরিচিতি-
ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলা ।উত্তর পূর্বাঞ্চলের খুব ছোট একটা রাজ্য ।ত্রিপুরার তিনদিকেই বাংলাদেশের ঠিকানা ।রাজধানী থেকে কিছুটা দূরে দূর্জয় নগরে আমার জন্ম ।ছোটবেলা আমি খেলাধুলা করতাম।গ্রামের প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষা শুরু ।ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী মহারানী তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়ে।স্নাতক ও স্নাতকোত্তর মহারাজা বীরবিক্রম কলেজে।এরপর কোলকাতা নদীয়ার কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করি। ১৯৯৬ সালে শিক্ষা দপ্তরে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট পদে শিক্ষকতা শুরু।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন