চেতনার তুলি
-শান্তি দাস
∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼
আজি চারিধারে প্রকৃতির অপরূপ রূপের ধারা,
প্রকৃতি দিয়েছে মোদের অনেক তবু জাগে না সারা,
যেখানে জোৎস্না রাতে সেই বইছে শীতল হাওয়া,
হিমেল বাতাসে শীত হারিয়ে আপন মনে যাওয়া।
এই অপূর্ণতাকে ভুলে পূর্ণতার স্পর্শ খুঁজে নেওয়া,
জীবনের গতি পাল্টে নিয়ে সজীবতা খু্ঁজে পাওয়া।
বসন্তে দ্বারে উত্তাল বিকেল বসেছে ফাগুনের মেলা,
কত কত রমনী হলুদ শাড়িতে এদিক ওদিক হেঁটে চলা।
হঠাৎ যখন কোকিলের কুহুতান মন ভরিয়ে তোলে,
নতুন করে সাজাবে জীবন তাই জীবনের কথা বলে।
বসন্তের আমন্ত্রণে চেতনা জাগে রোদেলা দুপুরের উষ্ণতা।
আমন্ত্রণ আসে নানা রঙের দিনগুলো নিয়ে লেখা কবিতা।
দূরে আরো দৃরে রং তুলিতে আঁকা নীলচে আকাশ,
চারিদিক উজ্জ্বলতায় ভরা সৌন্দর্যের দীপ্তময় চারিপাশ।
প্রকৃতি যেন সেজেছে প্রস্ফুটিত সাজে মন হয় উদাস,
বসন্ত যেন ছুয়ে যায় স্বর্গ মনের প্রফুল্লতা হওয়ার প্রয়াস।
এই বসন্ত প্রকৃতি নতুন ভোরের আলোয় রাতের শেষ,
মনের কোণে জমিয়ে থাকা সৌন্দর্যে তুলির টানের রেশ।
মনের চেতনায় রং তুলিতে আঁকা স্নিগ্ধতার পরিবেশ।
মুখরিত কলরব সৌন্দর্যের দোল খাওয়া মোদের বাংলাদেশ।
∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼
কবি পরিচিতি-
ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলা ।উত্তর পূর্বাঞ্চলের খুব ছোট একটা রাজ্য ।ত্রিপুরার তিনদিকেই বাংলাদেশের ঠিকানা ।রাজধানী থেকে কিছুটা দূরে দূর্জয় নগরে আমার জন্ম ।ছোটবেলা আমি খেলাধুলা করতাম।গ্রামের প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষা শুরু ।ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী মহারানী তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়ে।স্নাতক ও স্নাতকোত্তর মহারাজা বীরবিক্রম কলেজে।এরপর কোলকাতা নদীয়ার কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করি। ১৯৯৬ সালে শিক্ষা দপ্তরে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট পদে শিক্ষকতা শুরু।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন