চৈত্র এলো -তনুশ্রী বসু (পাত্র)

চৈত্র এলো

-তনুশ্রী বসু (পাত্র)

≈≈≈≈≈≈≈≈≈

চৈত্র এলো ফাগুনের পর

বাংলার শেষ মাস হল শুরু,

বাতাসে অল্প দহন জ্বালা

পৃথ্বী উত্তপ্ত হচ্ছে গ্রীষ্মের মরু।

চৈত্রের এই দুপুর বেলায়

তপ্ত দুপুরে শৈশবের কত কথা,

স্মৃতির খাতায় বন্দী আছে

কত মিষ্টি গল্প, কতই না গাথা।

হারিয়ে যাই শৈশবের আঙিনায়

রক্তিম পলাশ দুহাতে কুড়তাম,

পাতাঝরার সময় হয়েছে, চৈত্র দিনে

আনমনে শিমুল তুলো, ওড়া দেখতাম।

ঋতুদের এই ছন্দপতনে ব্যাথা পায়

অন্তর ভিতরে ভিতরে কাঁপে,

নিজেকে দিয়েছি মনের অতলে

স্মৃতিদের দিয়েছি প্রকৃতিকে সঁপে।

সেদিনের সেই শহর, আজ ব্যস্ত ভীষণ

সারাদিন শুধুই চিৎকার চেঁচমেচি,

জীবন আজ, হয়েছে দুর্বিসহ, নিত্য

মনের অজান্তে, স্বপ্নকে মোরা বেচি।

পবিত্র ধরা আজ পাপে পূর্ন

সংশয় আর দুশ্চিন্তা, ভয়,

সেই সুনিবিড় শান্তির নীড়

লুপ্তপ্রায়, ভেবে মন ব্যাথা পায়।

≈≈≈≈≈≈≈≈≈

কবি পরিচিতি:-

আমি তনুশ্রী বসু পাত্র। বাবা চন্ডিচরণ পাত্র ও মা চিত্রা পাত্রর প্রথম সন্তান। হুগলি জেলায় চুঁচুড়াতে জন্ম। স্কুল, কলেজও সেখানেই। বিয়ে হয়েছে ১৯৮৩ সালের ২৫শে জানুয়ারী, এক মাত্র ছেলের সংসার হোয়েছে বছর চারেক আগে। তারা যে যার নিজের কর্মস্থলে থাকে। আমরা দুজন স্বামী স্ত্রী বাড়িতেই থাকি। আমি একজন সাধারন গৃহিণী। সংসারের একঘেয়েমি কাটাতে আমি লেখা ও গানের মধ্যে সময় অতিবাহিত করি। আমার স্বামী এই ব্যাপারে আমাকে অনেক উৎসাহ দেয় ও সাহায্য করে। সাহিত্যকে যারা ভালোবাসে তারা লেখার মাধ্যমে তাদের বক্তব্য অপরের সামনে রাখার চেষ্টা করে। তার প্রকাশ কবিতা, অণুগল্প কিংবা প্রবন্ধে দেখা যায়। লেখার অভ্যাস সেই ছোটবেলা থেকে লিখতে ভালবাসি আর তার প্রকাশে আরও আনন্দ পাই। তাই লিখি আর লিখেও চলব।

Check Also

নবীর শানে -মোঃ আবু তাহের মিয়া

নবীর শানে -মোঃ আবু তাহের মিয়া ∼∼∼∼∼∼∼∼∼ রাসূলের অপমানে কাঁদে যে মনের আকাশ, ঈমানের আলো …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *