বাংলাদেশের স্বাধীনতা
-আশীষ খীসা
∞∞∞∞∞∞∞∞
বাংলাদেশের স্বাধীনতা এমনি এমনি আসেনি,
এদেশের মানুষ স্বাধীনতার জন্য অযথা যুদ্ধ করেনি।
যুদ্ধ করেছে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত পেতে,
যুদ্ধের ময়দানে মুক্তিবাহিনীরা এমনি উঠেনি মেতে।
আজি তা অনেক ইতিহাস,যা কখনো ভুলার নয়,
সাহসী বাঙালিরা পাকহানাদারকে কেন করবে ভয়।
স্বাধীনতা এসেছে অনেক ত্যাগ-তীতিক্ষার বিনিময়ে,
বাঙালি জাতি আজি উল্লাস করে স্বাধীনতার বিজয়ে।
স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ হয়েছিল লাখো লাখো জনতা,
আনন্দ-উল্লাসে কত জয়গান,নেই আর কোন মৌনতা।
নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে এসেছে এই স্বাধীনতা,
আর কত সহ্য করবে পূর্ব বাংলার মানুষ পরাধীনতা।
স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলার আকাশ-বাতাস কেঁপেছিল,
পাকবাহিনী পরাজিত হয়ে বিজয় কেতন উড়েছিল।
কত তাজা রক্ত ঝরেছিল এই বাংলার রাজপথে,
কোটি কোটি বাঙালি পড়েছিল কত যে বিপদে।
লাশ ও গোলাবারুদের গন্ধে বাতাস হয়েছিল ভারী,
পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল লাখো নারী।
আহাজারি ও আর্তনাদে বাতাস কেঁপেছিল শুধু,
যুদ্ধে শহীদ হয়েছিল কত সন্তান,স্বামী-স্ত্রী ও বধূ।
স্বাধীনতা যুদ্ধের কত যে অবিস্মরণীয় বিরত্বের গাঁথা,
সবকিছু আজি বাংলার বুকে স্মৃতির আলপনায় আঁকা।
স্বাধীনতার বিজয়ে পেয়েছি আমরা স্বাধীন একটি দেশ,
সুজলা,সুফলা শস্য-শ্যামলা তারি নাম যে বাংলাদেশ।
∞∞∞∞∞∞∞∞
কবি পরিচিতিঃ
কবি আশীষ খীসা,পিতাঃ বিনয় কান্তি খীসা, মাতাঃ গোপা দেবী খীসা,জন্মঃ রাঙ্গামাটি সদর। স্থায়ী ঠিকানা-গ্রামঃতুলাবান,ডাকঘরঃমারিশ্যা, উপজেলাঃবাঘাইছড়ি,জেলাঃরাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।তিনি ১৯৭০ সালে ৩১শে আগষ্ট এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি.এড.ও এম.এড.(১ম শ্রেণি)ডিগ্রি লাভ করেনা। তিনি পেশায় একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।তাঁর বর্তমান কর্মস্থল হলো আলীকদম উপজেলা,বান্দরবান পার্বত্য জেলা।তিনি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদক- ২০২৩ ইং শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হন।তাঁর একক কাব্যগ্রন্থ ২টি এবং যৌথ কাব্যগ্রন্থ ২৩টি এবং অন্যান্য গ্রন্থসহ মোট ৩৪টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।আরও বেশ দুয়েকটি যৌথ ছড়াগ্রন্থ,কাব্যগ্রন্থ ও গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি একাধারে শিক্ষক,কবি,ছড়াকার,গল্পকার, সাহিত্যিক,গীতিকার ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর। উল্লেখ্য যে,তিনি সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য ভারতের কলকাতা থেকে মহাত্মা গান্ধী আন্তর্জাতিক পিচ অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ ও শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য নেতাজী সুবাষ চন্দ্র বসু পিচ অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ সম্মাননা পদক পান।এছাড়া আন্তর্জাতিক কৃপা সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক কাব্য ভারতী উপাধি – ২০২৩ ও আগরতলা,ত্রিপুরা,ভারত থেকে আন্তর্জাতিক চাকমা ফাউন্ডেশন কর্তৃক সাহিত্য সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ”কাব্য জ্যোতি”সম্মাননা পদক পান। এছাড়া তিনি দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন থেকে অসংখ্য সম্মাননা সনদ ও পদক পান।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন