অষ্ট নদীর জন্মসূত্র
-মোহাম্মদ ছোলেমান ভূঁইয়া
≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈
ত্রিপুরা পাহাড়ের ডুমুর থেকে জন্মে নদী গোমতী,
গোমতী নদী কুমিল্লার দুঃখ জনগণের বাড়ে দুর্গতি।
ফেনী নদীর উৎপত্তি ত্রিপুরা রাজ্যের পার্বত্য অঞ্চল,
ফেনী বাসীর দুর্গতি বাড়ে নদী হয় যখন অতি চঞ্চল।
মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে জন্ম নদী কর্ণফুলী,
সাম্পান ওয়ালা সাম্পান চালায় ওরা নিজেকে যায় ভুলি।
যমুনার জন্ম তিব্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর,
যমুনা নদী কখনো বা সব কেড়ে নিয়ে মোদের করে পর।
সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল তিস্তা নদীর গর্বিত জন্মভূমি,
তিস্তা নদী বয়ে চলে নিরবধি বাংলাদেশের পদ চুমি।
মহানন্দা নদীর জন্মস্থান হিমালয়ের সুউচ্চ পর্বতমালা,
সুখের আশায় নদীর তীরে বেঁধেছে ঘর এখন বড় জ্বালা।
আসামের লুসাই পাহাড় থেকে এসে জন্মে নদী মেঘনা,
ঘর বাড়ি ভেঙে তছনছ করে বাড়ায় মানুষের কান্না।
আরাকান পাহাড় থেকে জন্ম নিয়ে অপরূপ সাঙ্গু নদী,
কি নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে পাবে বেড়াতে এসো যদি।
≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈
কবি পরিচিতিঃ
কবি মোহাম্মদ ছোলেমান ভূঁইয়া ৪ঠা এপ্রিল ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলার বক্রিকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।পিতা আবদুল জলিল ভূঁইয়া ও মাতা মোসাঃ ছালেহা বেগম।
তিনি ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৯৩ সালে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। বর্তমানে চান্দিনা মোকাম বাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তিনি বিভিন্ন পত্রিকা ও সাহিত্য গ্রুপে লেখালেখি করে থাকেন। তিনি একাধারে এক জন কবি, ছড়াকার, গল্পকার, ঔপন্যাসিক ও শিক্ষক।
মেঘলা আকাশে পূর্ণিমা চাঁদ, নীলার মনে নীল দুঃখ, আলোয় ফেরার রইলো নিমন্ত্রণ, তিমির বিনাশী বাতিঘর, মন গহীনে পোড়ে মন, এক অকিঞ্চন আত্মভোলা ও অতিক্রান্ত স্টেশনের গল্প’ তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলি।
তিনি আন্তর্জাতিক কবি ও সাহিত্যিক পরিষদ কর্তৃক ‘গ্রন্থ সম্মাননা-২০২৫ ইং’ ও পীরে কামেল দেওয়ান মাহবুবুল আলম (চিঃ)’সাহিত্য পুরস্কার -২০২৫ ইং’ অর্জন করেছেন।

