স্বীকৃতি
-আশীষ খীসা
∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼
কোন কাজে স্বীকৃতি পেলে
মনে লাগে পরম তৃপ্তি,
হতে পারে তা সামাজিক
সাংস্কৃতিক কিংবা কৃষ্টি।
মানুষ অবদমিত মনে কাজ করে
পেতে চায় একটু সুখ ও শান্তি,
পরিশ্রমের বিনিময়ে কিছু পেলে
ভুলে যায় সব দুঃখ ও ক্লান্তি।
কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ হতে পারে
তা আর্থিক কিংবা মানসিক,
হতে পারে তা কোন সনদ বা ক্রেস্ট
হতে পারে তা আবেগিক।
মানুষ পেতে চায় তার কাজের
কিছু সফলতা,নিদর্শন ও কীর্তি,
তখন বাড়ে তার কাজের গতি
আগ্রহ,অনুপ্রেরণা ও সুদৃষ্টি।
কিছু প্রাপ্তি কিছু সাফল্য মানুষকে
রাখে কাজে প্রতিনিয়ত ব্যস্ত,
মানুষও কাজ করে পায় বেশ আনন্দ
নিজেকে রাখতে পারে ন্যস্ত।
তাই প্রতিটি কাজের পিছনে
থাকা দরকার সান্ত্বনা ও স্বীকৃতি,
তখন কাজের সাথে মানুষের থাকে
সমন্বয়,সম্পর্ক,আগ্রহ ও প্রীতি।
∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼
কবি পরিচিতিঃ
কবি আশীষ খীসা একাধারে কবি, ছড়াকার,গল্পকার,লেখক,সাহিত্যিক,শিক্ষক, গীতিকার ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটর।তিনি নিয়মিত কবিতা,ছড়া,গল্প ও গান লিখেন।তিনি অবসর সময়ে গানের চর্চা করেন। তিনি বিভিন্ন সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে জড়িত আছেন।তিনি বর্তমানে
বান্দরবান জেলাধীন আলীকদম উপজেলার ভরিরমুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩ ইং উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হন।
তাঁর একক কাব্য গ্রন্থ ২টি এবং যৌথ কাব্য গ্রন্থ,
ছড়া গ্রন্থ ও গল্প গ্রন্থসহ মোট ৩৪ টি প্রকাশিত হয়। উল্লেখ্য যে,তিনি সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য
ভারত থেকে মহাত্মা গান্ধী ইন্টারন্যাশনাল পীচ অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ ইং এবং শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য নেতাজী সুবাষ চন্দ্র বসু ইন্টারন্যাশনাল পীচ অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ ইং পান।এছাড়া তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অসংখ্য সম্মাননা স্মারক পান।

