লহর
-শান্তি দাস
≈≈≈≈≈≈≈≈≈
নদী চলছে স্রোতের ধারায় বইয়ে বহুদূর বহুদূর,
জানি না আঁকা বাঁকা নদীর সীমানা কতদূর।
নদীর বুকে মৃদু লহর কোন এক অজানা সুখে,
চারিদিকে লহরির গুঞ্জন কানাকানি শুনি দু়ঃখে।
নিশ্চিত নির্জনতা ছেড়ে চোরাবালি অচেনা পথে,
দুরন্ত রোদ্দুর দেয় মিষ্টি হাওয়ায় প্রতিদিন থাকে সাথে।
পাহাড়ের কোল ঘেঁষে অপরূপা মেলেছে ডানা সুখের,
চিরস্থায়ী গতি চুরমার স্বপ্নের অব্যর্থ মোহনায় চরের।
সূর্যের কিরণে করে জল লহরে টলমল,
মেঘের মুখে আলোয় চঞ্চল ধারা করে ঝলমল।
স্বপ্ন বিভোর দিশাহারা নদী যেখানে মিশে গেছে মোহনায়,
দীর্ঘ পথ অতিক্রান্ত করে কুলের কিনারায় চড়াই উৎরাই।
বর্ষার জলে ছিনিয়ে দিলো উত্তাল দেহমন,
বাতাসে বাতাসে ভাসিয়ে দিলো যত দু়ঃখ গোপন।
দূর দিগন্তে আকাশ নীলে পাখিরা চলছে উড়ে,
নদীর এপার থেকে ওপার চলছে অনেক দুরে।
ঢেউয়ের তালে তালে চলে মিলিয়ে সুর,
জলের নীলে বালুর চড়ে মোহনা লাগে মধুর।
আড়ালে গাছের ফাঁকে চাঁদ উঁকি দেয় সৌন্দর্যের মোহনায়,
ফেলা আসা স্মৃতি গুলো মনের গহীনে বড় বেদনায়।
≈≈≈≈≈≈≈≈≈
কবি পরিচিতি-
ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলা ।উত্তর পূর্বাঞ্চলের খুব ছোট একটা রাজ্য ।ত্রিপুরার তিনদিকেই বাংলাদেশের ঠিকানা ।রাজধানী থেকে কিছুটা দূরে দূর্জয় নগরে আমার জন্ম ।ছোটবেলা আমি খেলাধুলা করতাম।গ্রামের প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষা শুরু ।ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী মহারানী তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়ে।স্নাতক ও স্নাতকোত্তর মহারাজা বীরবিক্রম কলেজে।এরপর কোলকাতা নদীয়ার কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করি। ১৯৯৬ সালে শিক্ষা দপ্তরে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট পদে শিক্ষকতা শুরু।

