প্রকৃতির প্রতিশোধ
-মোঃ জামাল উদ্দিন
∼∼∼∼∼∼∼∼∼
পৃথিবীর গাছ-গাছালি তরুলতা কেটে সাভার
প্রকৃতির কঠিন প্রতিশোধ নিবে সবার,
বন্যা খরা জলোচ্ছ্বাস কঠিন থাবা দেবে
সকলে প্রকৃতি পরিছন্নতা রাখার দরকার।
বায়ু দূষণের কবলে সারা পৃথিবীর নড়বড়
সাবধান হও ওহে মানুষ হুশিয়ার,
ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৃথিবীর জীবজগৎ
প্রকৃতির উপর জুলুম করছি বারবার।
যানবাহনের কালো ধোঁয়া পরিবেশ নষ্ট
প্রকৃতিতে বেড়েছে কার্বন,
মানুষ শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি জীব জেনেবুঝে করি ক্ষতি
রাস না ইঞ্জিনের যানবাহন।
অতি খরা অতি বৃষ্টি প্রকৃতিতে মানুষের সৃষ্টি
অযথাই পরিবেশ করি আবর্জনা,
পরিবেশের ভারসাম্য মানুষ দ্বারা নষ্ট
বুঝে না বুঝার করি শুধু ছলনা।
পৃথিবীর তাপমাত্রা দিন দিন বৃদ্ধি
প্রকৃতির সবুজ অরণ্য কমেছে,
দালান কোঠা ইটের বাটার কালো ধোঁয়া
প্রকৃতি প্রতিশোধের প্রস্তুত হয়েছে।
হে প্রভু মিনতি তোমার কাছে করো রক্ষা
পৃথিবীর মানুষ প্রকৃতি কে জুলুম করছে,
জগৎময় তুমি সৃষ্টিকর্তা পরোয়ার দিগার
বিনয়ের সুরে ক্ষমা চাই তোমার কাছে ।
∼∼∼∼∼∼∼∼∼
কবি পরিচিতি:
জন্ম ও বংশপরিচয়:
মোঃ জামাল উদ্দিন ১৯৭৩ সালে পহেলা জানুয়ারি কুমিল্লা জেলার ,মুরাদনগর উপজেলা, বাঙ্গুরা বাজার থানার অন্তর্গতা কালারাইয়া গ্রামের একটি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম মোহাম্মদ আলী এবং মাতা মরহুমা জাহেরা খাতুন।
শিক্ষাজীবন:
তিনি যোগেরখীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম হাতে ঘড়ি শিক্ষাজীবন শুরু করেন। ১৯৮৮ সালে বিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। শ্রীকাইল সরকারি কলেজ থেকে ১৯৯০ সালে এইচএসসি এবং ১৯৯২ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
পেশাগত জীবন ও সামাজিক কর্মকাণ্ড:
তার নিজ গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করতে শ্রম অর্থ বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে গড়ে তোলেন । গ্রামের শান্তি সমাজ কল্যাণ সংঘের কোষাধক্ষ ছিলেন এবং গ্রামের সকলের নিকট খুব বিশ্বস্ত একজন মানুষ। “আবে- মুরাদ জামে মসজিদ” এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক।
পেশাগত জীবনে তিনি শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। প্রায় চার বছর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ‘রামচন্দ্রপুর’ সোনামিয়া মোল্লা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। কর্মের তাগিদে ২০০০ সালে ঢাকায় এসে বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরির পর নিজেই ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রবেশ করেন। বর্তমানে “কুমিল্লা গ্যাস সেন্টার”ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
সাহিত্যচর্চা ও পুরস্কার:
ছাত্রজীবন থেকেই কবিতা, গান ও গল্প লেখার প্রতি তাঁর গভীর মনোযোগ ছিল। কবিতা সাহিত্য গ্রুপ থেকে পর পর দুইবার কাব্য সম্মাননা লাভ করেন। নেত্রজল সাহিত্য ম্যাগাজিন থেকে গুণীজন কাব্য সম্মাননা এবং বাংলাদেশ কবি ও সাহিত্যিক পরিষদ থেকে বিশেষ কাব্য সম্মাননা লাভ করেন। এছাড়া কবিতা, গল্প ও ইসলামিক রচনার জন্য আরও অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেছেন। বর্তমানে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে লেখালেখির মাধ্যমে অবসর সময় অতিবাহিত করেন।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন