রৌদ্রতাপে
-চিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায়
≈≈≈≈≈≈≈≈≈
প্রখর বৈশাখের এ কেমন ধর্ম
রৌদ্রতাপে ঝরছে গলদ ঘর্ম
প্রচন্ড দাবদাহে স্থগিত কর্ম
ঘামাচির জ্বালাই জর্জরিত চর্ম
রক্ষা করতে শরীরে নেবো কোন সে বর্ম।
এসো হে বৈশাখ ডাকার চাপে
শহর ও গ্রাম প্রখর তাপে
রুদ্র তাণ্ডবে ধরিত্রী কাঁপে
পারদের মিটার নির্দিষ্ট মাপে
থাকে না যখন মাত্রা বাড়ে ধাপে ধাপে।
অরণ্য যখন দাবানলে ভাসে
উত্তপ্ত ধরণী কে ভালোবাসে
অতি বেগুনি রশ্মি আসে
আল্ট্রা ভায়োলেন্ট তরঙ্গে হাসে
ত্রাহি ত্রাহি রব উঠে প্রখর বৈশাখ মাসে।
বৃক্ষ ছেদনে ধরিত্রী কেমনে রয়
তুষার শৃঙ্গ গলে হচ্ছে ক্ষয়
উর্ধ্বমুখী পারদ কি সহ্য হয়
রুদ্ররূপি কালবৈশাখীর ভয়
তবুও এসো হে বৈশাখ হোক তব জয়।
≈≈≈≈≈≈≈≈≈
কবি পরিচিতি–
কবি, প্রাবন্ধিক এবং সাহিত্যিক চিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুরে নিবাস। সম্ভ্রান্ত বাঙালি ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম।শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ পাস। স্কুল থেকেই লেখালেখি প্রতি তার প্রচন্ড ঝোঁক। তার একক কাব্যগ্রন্থ পাঁচটি। এর মধ্যে একটি গল্পের বই ২০২৬ সালে আন্তর্জাতিক বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে। আর যৌথ কাব্যগ্রন্থ প্রায় আড়াইশোর বেশি। চিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন সরকারি নার্সিং স্টাফ। তিনি অনেক জায়গা থেকে বউ সম্মাননা পেয়েছেন। দুটো স্বর্ণপদক এবং একটা রূপোর সরস্বতী। বাংলা ভাষা এবং বাংলা সাহিত্যের প্রতি প্রচন্ড অনুরাগী হওয়ায় বাংলা ভাষাকে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন