অধিকার নেপথ্যে
-রবিন রায়
≈≈≈≈≈≈≈≈
ওহে নারী! বজ্র কন্ঠে করছো যে চিৎকার ;
তীব্র সোচ্চার প্রতিবাদে চাইছো অধিকার।
অধিকার তো বহুবিধ বর্তমান এ সংসারে,
কোন অধিকারের দাবি রেখেছো বিচারে!
আছে, পরিচালনার মাধ্যমে কর্তৃত্বের অধিকার,
আছে, লালন-পালন রূপে দায়িত্বের অধিকার ;
আছে, সু’পথে পদাচারের মর্যাদারই অধিকার।
আছে, পবিত্র আত্মায় সততা ধর্মের অধিকার।
আছে, আরো, আরো কত, কত ধরণের সু-স্বত্ব,
তুমি কি উপলব্ধি করেছো সেগুলোর বিশেষত্ব!
না, করোনি, করেছো একটির প্রতি মনোনিবেশ,
সেটা অর্থ, আর অর্থ বিষে দূষে সব, সব শেষ।
অর্থে দ্রব্য সামগ্রিক কেনা যায় ইচ্ছে মাফিক
কিন্তু মান, সন্মান, সুখ কেনা যায় না হার্দিক ;
তুমি কেবল ওই একটা জিনিসই আছো ধরে,
যা আর সমস্ত অধিকারকে প্রত্যাখান করে।
ওই বিত্ত মানুষকে উগ্রতায় করে বিপথগামী ,
সব পশ্চাতে ঠেলে তুমি তাতেই আকৃষ্ট বামি ;
আইন আর কল্যাণ সংস্থারা নিলো যে ভার,
জাতি, সমাজ, দেশ ও দশ করতে ছাড়খার।
রূপ ও রুপি উভয়ই অস্থায়ী কাল পরিক্রমায়,
আজ আছে তা কাল নেই সংহারির তর্জমায় ;
ভেবে চিন্তেই সিদ্ধান্ত নিয়ো অধিকারের রত্তি,
কোনটায় লাভ বা কোনটায় ক্ষতি সত্যি সত্যি।
≈≈≈≈≈≈≈≈
কবি পরিচিতি ঃ—-
ছড়াকর, কবি ও সাহিত্যিক সম্মানিত এবং শ্রদ্ধেয় গুণী কবিবর রবিন রায়, অধুনা পশ্চিম বঙ্গের অন্তর্গত উত্তর ২৪ পরগণা জেলার পশ্চিম ধনিয়া গ্রামের নিবাসী। তিনি বহু মানসম্মত ও উৎকৃষ্ট লেখার মাধ্যমে নিজেকে প্রজ্জ্বলিত করেছেন। উনার শিক্ষাগত যোগ্যতা বিজ্ঞান বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণ। তবে বাঙালি ঘরে জন্ম সূত্রে বাংলা ভাষা এবং বাংলা কবিতার প্রতি সুতীব্র আকর্ষণে বাংলা সাহিত্যকে ভালোবাসেন। সেই অপার কবিতা প্রেম থেকেই তাঁর এই লেখালেখির মাধ্যম বেছে নেওয়া। তাঁর লেখায় পাঠকবৃন্দের অভিমত এবং গঠনমূলক মন্তব্য প্রদানের আর্জি রাখেন।পাঠক মহলের হৃদয় স্পর্শ করতে পারলেই
তিনি প্রচেষ্টায় সার্থক এবং ধন্য হন। সকল মাননীয়, শ্রদ্ধেয় এবং প্রণম্য সম্পাদক, পাঠক ও সমালোচক গণকে কলমধারীর কুর্নিশ রইলো সতত।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন