মুক্তির গান
-সিরাজুল ইসলাম মোল্লা
∞∞∞∞∞∞∞∞∞
আয় রে আয় গাইবে যদি মুক্তির গান,
গাইবে যদি ঐ শিকল ভাঙার গান।
আয় রে কামার-কুমার-শ্রমিক-কৃষাণ,
উড়াবে যদি আজই মুক্তির নিশান।
শোনো ওই বিজয়ের ধ্বনি প্রতিধ্বনি,
মুক্তির গানে চির সত্যের আগমনী।
গগনে পবনে পায়ের আওয়াজ শুনি,
কিসের ভয় কিসের সংশয় এখনি!
হোক না সাগর উত্তাল থাক না জঞ্জাল,
দিতে হবে পাড়ি দিতে হবে সামাল।
মুক্তির গান গেয়ে যাই আয় রে দামাল,
আজই বৈষম্য রোধে হতে কামাল।
পথে-ঘাটে শোনো ওই কান্না-হাহাকার,
আয় রে মুষ্টিবদ্ধ হাতে বীর বাংলার।
দেখো খামছে ধরেছে পতাকা আবার,
রাজপথে ওই মুক্তির মিছিল সবার।
আর নয় শোষণ আর নয় লাঞ্ছনা বঞ্চনা,
বাজবে দামামা বাজছে সুরের মূর্ছনা।
করে যাই প্রাণসঞ্চারণ ঘুচতে লেনাদেনা,
সুরে সুরে মুক্তির সাধনে করি প্রার্থনা।
মহাকাল কত রক্ত-অশ্রু গেছে জনতার,
আর নয় খুন ধর্ষণ অনাচার অবিচার।
রঞ্জিত হতে দেবো না মাটি আর আমার,
শিল্পীর কণ্ঠে শোনো মুক্তির গান তার।
লিখে যাই মুক্তির কবিতা মুক্তির গান,
করে যাই জনতায় মুক্তির আহ্বান।
গানে গানে প্রাণে প্রাণে হবো কুরবান,
রাখতে প্রাণ বিনিময় বাংলার মান।
আয় রে আয় গাইবে যদি মুক্তির গান,
গাইবে যদি ঐ শিকল ভাঙার গান।
আয় রে কামার-কুমার-শ্রমিক-কৃষাণ,
উড়াবে যদি আজই মুক্তির নিশান।
∞∞∞∞∞∞∞∞∞
কবি পরিচিতি –
সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (পিতা আব্দুল মান্নান মোল্লা ও মাতা হাজেরা বেগম) বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জ জেলাধীন মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অন্তর্গত রামপাল ইউনিয়নের জোড়ার দেউল গ্রামের এক মধ্যবিত্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৭৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। ছয় ভাই ছয় বোনের মধ্যে কবি ১১ তম। উত্তরসূরী হিসেবে স্ত্রী ও দুই পুত্র সন্তান রয়েছে। ১০ বছর বয়স হতেই কবির লেখালেখির হাতে খড়ি। এছাড়াও পছন্দ দাবা, আড্ডা দেওয়া ও লেখালেখি করা। তিনি এক সময় প্রথম আলো ব্লগ সহ অন্যান্য ব্লগে লেখালেখি করেন এবং বর্তমানে ফেইসবুকে বিভিন্ন অনলাইন সাহিত্য গ্রুপে লেখালেখি সহ সাহিত্য চর্চায় নিবেদিত।।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন