শুভ্র মেঘের খেয়া
-শান্তি দাস
∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼
শরতের শুভ্র নীল আকাশে মেঘেরা করছে খেলা,
আকাশ পানে শুধু এদিক ওদিক মেঘের ভেলা।
সাদা শুভ্র মেঘের খেয়া ঐ যে দূর আকাশে ভাসে,
তারই মাঝে প্রকৃতির রূপ ও যেন মিটিমিটি হাসে।
কাশের বনে উতল হাওয়ায় অপরূপ সৌন্দর্যে দোলে।
শ্রাবণের শেষে ভাদ্রের রৌদ্রতাপ ঐ মেঘের কোলে।
শরতের নীলাকাশ জুড়ে সাদা মেঘেরা ঘুরে বেড়ায়,
নদীর চরে দেখা যায় শুভ্র কাশফুলে বসেছে মেলায়।
শুভ্র আকাশে দোল দেয় আগাম শরৎ হাওয়ায়,
আকাশের রং বদলায় সাদা মেঘ উড়ে উড়ে যায়।
মেঘমুক্ত শরতের আকাশে ঘাসের ডগায় শিশির পড়ে,
ভোরের শিশির মেখে শরতের শিউলি মাটিতে ঝরে।
মিঠে বাতাসের পরশে শুভ্র শরতের খেয়া দোলায়,
আগমণী বার্তা বয়ে তখন তারা মনের দুঃখ ভোলায়।
কাশের বনে শরৎ শোভা শিশির ভেজা ঘাসে,
শিউলি সুবাস আকাশ জুড়ে সাদা মেঘগুলো ভাসে।
নিপুন শিল্পীর ক্যানভাসে জীবন্ত আঁকা চিত্রকলা,
শরৎ আকাশের বুকে জ্যোৎস্না রাতে অর্ধ চন্দ্রকলা।
গ্রাম বাংলার নদীর পারে রূপোলী আলো ঝলমল,
চারপাশ আলোকিত করে কাশ ফুলেরা দুলছে টলমল।
∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼
কবি পরিচিতি-
ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলা ।উত্তর পূর্বাঞ্চলের খুব ছোট একটা রাজ্য ।ত্রিপুরার তিনদিকেই বাংলাদেশের ঠিকানা ।রাজধানী থেকে কিছুটা দূরে দূর্জয় নগরে আমার জন্ম ।ছোটবেলা আমি খেলাধুলা করতাম।গ্রামের প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষা শুরু ।ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী মহারানী তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়ে।স্নাতক ও স্নাতকোত্তর মহারাজা বীরবিক্রম কলেজে।এরপর কোলকাতা নদীয়ার কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করি। ১৯৯৬ সালে শিক্ষা দপ্তরে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট পদে শিক্ষকতা শুরু।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন