নিঃসঙ্গ জীবন
-মোঃ জামাল উদ্দিন
∞∞∞∞∞∞∞∞
নিঃসঙ্গ জীবন মানুষের একটা অভিশাপে ,
দুনিয়ার নিঃসঙ্গতা ঠেলে দেয় পাপে।
নিঃসঙ্গ জীবন কালো আধার অমানিশা ,
জীবনকে করে তোলে একটা তামাশা।
নিঃসঙ্গ জীবন একটা যন্ত্রণাদায়ক জীবন ,
হৃদয়ের চাওয়া পাওয়ার বিলুপ্তি মন।
নিঃসঙ্গ জীবন বয়ে আনে দুঃখের প্রবাহে ,
জীবন মন অতি প্রবাহিত হচ্ছে গুনাহে।
নিঃসঙ্গ জীবন হৃদয় চলে আগুনের শিখায় ,
মনের শান্তি খোরাক আসে না হাতের পাখায়।
নিঃসঙ্গ জীবন প্রাণকে করে বিষাদ ময়,
বারবার শুধু ডাকো উপর ওয়ালা দয়াময়।
নিঃসঙ্গ জীবনে থাকবে না কোন স্মৃতি,
দয়াময় প্রভুর কাছে হাত তুলে করো মিনতি।
নিঃসঙ্গতা জীবন হৃদয়ে থাকে হাহাকার ,
পৃথিবীতে শান্তির বার্তার জন্য সঙ্গী দরকার।
নিঃসঙ্গ জীবন জড় পদার্থের মত,
জীবন অল্পতে হয় ক্ষত বিক্ষত।
∞∞∞∞∞∞∞∞
কবি পরিচিতি:
মোঃ জামাল উদ্দিন ১৯৭৩ সালে পহেলা জানুয়ারি কুমিল্লা জেলার ,মুরাদনগর উপজেলা, বাঙ্গুরা বাজার থানার অন্তর্গতা কালারাইয়া গ্রামের একটি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম মোহাম্মদ আলী এবং মাতা মরহুমা জাহেরা খাতুন।
তিনি যোগেরখীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম হাতে ঘড়ি শিক্ষাজীবন শুরু করেন। ১৯৮৮ সালে বিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। শ্রীকাইল সরকারি কলেজ থেকে ১৯৯০ সালে এইচএসসি এবং ১৯৯২ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
তার নিজ গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করতে শ্রম অর্থ বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে গড়ে তোলেন । গ্রামের শান্তি সমাজ কল্যাণ সংঘের কোষাধক্ষ ছিলেন এবং গ্রামের সকলের নিকট খুব বিশ্বস্ত একজন মানুষ। “আবে- মুরাদ জামে মসজিদ” এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক।
পেশাগত জীবনে তিনি শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। প্রায় চার বছর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ‘রামচন্দ্রপুর’ সোনামিয়া মোল্লা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। কর্মের তাগিদে ২০০০ সালে ঢাকায় এসে বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরির পর নিজেই ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রবেশ করেন। বর্তমানে “কুমিল্লা গ্যাস সেন্টার”ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
তার স্ত্রীর নাম মোছাঃ ইয়াসমিন আক্তার, তিনি দুই সন্তানের জনক একজন ছেলে মোঃ জহিরুল ইসলাম জিসান ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অধ্যায়নরত কম্পিউটার সাইন্স অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এক মেয়ে জাইমা জেরিন আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।
ছাত্রজীবন থেকেই কবিতা, গান ও গল্প লেখার প্রতি তাঁর গভীর মনোযোগ ছিল। কবিতা সাহিত্য গ্রুপ থেকে পর পর দুইবার কাব্য সম্মাননা লাভ করেন। নেত্রজল সাহিত্য ম্যাগাজিন থেকে গুণীজন কাব্য সম্মাননা এবং বাংলাদেশ কবি ও সাহিত্যিক পরিষদ থেকে বিশেষ কাব্য সম্মাননা লাভ করেন। এছাড়া কবিতা, গল্প ও ইসলামিক রচনার জন্য আরও অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেছেন। বর্তমানে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে লেখালেখির মাধ্যমে অবসর সময় অতিবাহিত করেন।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন