চলো দেশ গড়ি
-মোঃ জামাল উদ্দিন
∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼
হিংসা বিদ্বেষ ছেড়ে দিয়ে
চলো দেশ গড়ি,
আশরাফুল মাখলুকাত আমরা
অন্যায় অত্যাচারী ছাড়ি।
সোনার বাংলায় সোনা ফলে
সেই ফল খায় গুনে,
আর করিও না ব্যাংক ডাকাতি
সোনার বাংলা জেনে।
ঘুষ দুর্নীতি ছাইড়া দিয়া
সত্য পথ ধর,
রাজার হলো রাজনীতি
বাংলার ক্ষতি কর।
মানুষের জন্য কর রাজনীতি
ছাড় স্বজন প্রীতি,
ধান্দাবাজ চান্দাবাজ দুর্নীতিবাজ
দেশের করে ক্ষতি।
খাইতে খাইতে সোনার বাংলা
রইল না কিছু অবশেষ,
এখনো সময় আছে সবাই
গড়ি সোনার বাংলাদেশ।
ক্ষমতার লোভ করিও না
দেশ চালাও মিলেমিশে,
পরাধীনতার কবলে সোনার বাংলা
কাঁদবে অবশেষে।
সবাই মিলে দেশ গড়ি
নাই যে কোন ক্ষতি,
হিংসা করে দেশ ধ্বংস
চলো দুর্নীতি ছাড়ি।
আমরা বাঙালি স্বাধীন দেশ
বিশ্বের দরবারে গর্ব,
মিলেমিশে দেশ গড়ব
কেউ করবে না খর্ব।
সত্য পথে চলো সবাই
দেশ হবে সচল,
মারামারি হানাহানি ছেড়ে দিয়ে
বাংলার করি বল।
∼∼∼∼∼∼∼∼∼∼
কবি পরিচিতি:
মোঃ জামাল উদ্দিন ১৯৭৩ সালে পহেলা জানুয়ারি কুমিল্লা জেলার ,মুরাদনগর উপজেলা, বাঙ্গুরা বাজার থানার অন্তর্গতা কালারাইয়া গ্রামের একটি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম মোহাম্মদ আলী এবং মাতা মরহুমা জাহেরা খাতুন।
শিক্ষাজীবন:
তিনি যোগেরখীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম হাতে ঘড়ি শিক্ষাজীবন শুরু করেন। ১৯৮৮ সালে বিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। শ্রীকাইল সরকারি কলেজ থেকে ১৯৯০ সালে এইচএসসি এবং ১৯৯২ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
পেশাগত জীবন ও সামাজিক কর্মকাণ্ড:
তার নিজ গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করতে শ্রম অর্থ বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে গড়ে তোলেন । গ্রামের শান্তি সমাজ কল্যাণ সংঘের কোষাধক্ষ ছিলেন এবং গ্রামের সকলের নিকট খুব বিশ্বস্ত একজন মানুষ। “আবে- মুরাদ জামে মসজিদ” এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক।
পেশাগত জীবনে তিনি শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। প্রায় চার বছর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ‘রামচন্দ্রপুর’ সোনামিয়া মোল্লা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। কর্মের তাগিদে ২০০০ সালে ঢাকায় এসে বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরির পর নিজেই ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রবেশ করেন। বর্তমানে “কুমিল্লা গ্যাস সেন্টার”ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন