জেলখানা
-মোঃ জামাল উদ্দিন
≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈
জেলখানার জীবন সময় কাটে
বড়ই যন্ত্রণাদায়ক,
কেউ জেল খাটে অপরাধ করে
হয়ে যায় মহানায়ক।
জেলখানার চার দেয়ালে বন্দী
বড়ই কষ্টের জীবন,
কেউ জেল খাটে বিনা অপরাধে
দূরে সরে আত্মীয়-স্বজন।
বিচারের কাঠগড়ায় তুমি অপরাধী হয়ে
যাইতে হয় জেলখানায়,
একাকীত্ব জীবন বড়ই যন্ত্রণার কাটে
জেলখানার ফাঁকা জানালায়।
দুর্নীতিবাজ আজ বাংলায় জেলখানায়
পার পেয়ে যায় ,
অসহায় গরীব দরিদ্র মানুষ জেলখানায়
কাটায় অসহায়।
দুনিয়ার জেলখানার সময়সীমা আছে
পাইবে হয়তো ছাড়,
প্রভুর জেলখানায় বড়ই কঠিন
পাইবা না তুমি পাড়।
≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈
কবি পরিচিতি:
মোঃ জামাল উদ্দিন ১৯৭৩ সালে পহেলা জানুয়ারি কুমিল্লা জেলার ,মুরাদনগর উপজেলা, বাঙ্গুরা বাজার থানার অন্তর্গতা কালারাইয়া গ্রামের একটি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম মোহাম্মদ আলী এবং মাতা মরহুমা জাহেরা খাতুন।
তিনি যোগেরখীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম হাতে ঘড়ি শিক্ষাজীবন শুরু করেন। ১৯৮৮ সালে বিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। শ্রীকাইল সরকারি কলেজ থেকে ১৯৯০ সালে এইচএসসি এবং ১৯৯২ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
তার নিজ গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করতে শ্রম অর্থ বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে গড়ে তোলেন । গ্রামের শান্তি সমাজ কল্যাণ সংঘের কোষাধক্ষ ছিলেন এবং গ্রামের সকলের নিকট খুব বিশ্বস্ত একজন মানুষ। “আবে- মুরাদ জামে মসজিদ” এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক।
পেশাগত জীবনে তিনি শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। প্রায় চার বছর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ‘রামচন্দ্রপুর’ সোনামিয়া মোল্লা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। কর্মের তাগিদে ২০০০ সালে ঢাকায় এসে বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরির পর নিজেই ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রবেশ করেন। বর্তমানে “কুমিল্লা গ্যাস সেন্টার”ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন