একলা বিকেল
-শান্তি দাস
≈≈≈≈≈≈≈≈
আমি হলাম এক নির্জন পথের একজন পথিক,
নির্জনতা আমার আত্মার আত্মীয় প্রাণের বন্ধন।
আমার একলা বিকেল আমার সাথে সবসময় থাকে ।
নিজস্ব আবেগ অনুভূতি কাঁটাছেড়া করতে সুযোগ পাই।
নির্জনতা মানুষের অন্তঃস্থল থেকে হৃদয়ের বহিঃপ্রকাশ,
প্রেম জাগা মনে মহোল্লাস মুক্তকণ্ঠে গেয়ে উঠে জয়গান।
নির্জনতা ভেদ করে হাহাকার জাগে কর্ণগোচর বিরহে,
বিরহকে ভালোবাসার স্বার্থে অতি যত্ন করে লালন।
ভীড়ের মাঝে ও প্রেমাতুর দৃষ্টি নিক্ষেপ প্রেমের উপস্থিত অনুভূত হয়,
একলা বিকেলে আমার নির্জনতাকে ফেলে রেখে গেছে।
একটা আকাশ আমাকে প্রেম চুম্বন আশ্বাসে বিদ্ধ করেছিল,
কিন্তু সেদিন বুঝিনি কাঁটাতারের বেড়া আকাশটাকে ভাগ করেনি।
পরিকল্পনা মাফিক অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ভরসা আশ্বাস বিফলে গেছে চলে।
অভিমানী হৃদয় কোলাহল থেকে পালিয়ে নির্জনতা বেছে নেই
নির্জনতার মিথ্যা আশ্বাস নেই কোন দুঃখ নেই।
পথ পরিবর্তনে একমাত্র ভরসা থাকা প্রেমিকের খোঁজে,
প্রেমিক তুমি আসবে অগোছালো এলোমেলো টাকে গুছিয়ে নিতে।
নির্জনতা আমাকে স্বপ্ন দেখাতে শিখিয়েছে এক আকাশ স্বপ্ন নিয়ে বাঁচতে,
আমি ইচ্ছামতি ,মেঘবালিকা নই,প্রেমের আকুলতা একলা জীবনে অপেক্ষমাণ।
≈≈≈≈≈≈≈≈
কবি পরিচিতি-
ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলা ।উত্তর পূর্বাঞ্চলের খুব ছোট একটা রাজ্য ।ত্রিপুরার তিনদিকেই বাংলাদেশের ঠিকানা ।রাজধানী থেকে কিছুটা দূরে দূর্জয় নগরে আমার জন্ম ।ছোটবেলা আমি খেলাধুলা করতাম।গ্রামের প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষা শুরু ।ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী মহারানী তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়ে।স্নাতক ও স্নাতকোত্তর মহারাজা বীরবিক্রম কলেজে।এরপর কোলকাতা নদীয়ার কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করি। ১৯৯৬ সালে শিক্ষা দপ্তরে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট পদে শিক্ষকতা শুরু।
কবিতার পাতা মনের কথা শুনুন,প্রাণের কথা লিখুন